দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুক্তির আগেই গিনেস বিশ্বরেকর্ডে নাম লিখিয়েছে আল্লু অর্জুন ও নির্মাতা অ্যাটলির বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রাকা’। একই সময়ে ৩৭ জন পারফর্মারের গতিবিধি বাস্তব সময়ে ধারণ করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে সিনেমাটির দল। ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেকর্ডের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সিনেমাটির জন্য একই সময়ে ৩৭ জন পারফর্মারের গতিবিধি ধারণ করা হয়। তাদের বয়স ছিল চার থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। একসঙ্গে এতজন পারফর্মারকে বাস্তব সময়ে মশন ক্যাপচার করার এই কীর্তির স্বীকৃতি হিসেবে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে নাম ওঠে সিনেমাটির।
এই কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ৯২টি অপটিক্যাল মশন ক্যাপচার ক্যামেরা। পাশাপাশি বাস্তব সময়ে দৃশ্যায়ন, মুখের অভিব্যক্তি ধারণ ও তথ্য সমন্বয়ের জন্য বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
বিশেষ এই অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির হাতে গিনেস বিশ্বরেকর্ডের সনদ তুলে দেওয়া হয়। সিনেমাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি জানায়।
অ্যাটলির জন্মদিনেই আসে এই বিশ্বরেকর্ডের ঘোষণা। জন্মদিনে পরিচালককে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের একটি সাদা-কালো ছবিও পোস্ট করেন আল্লু অর্জুন। ছবিতে দুজনকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।
এই অর্জন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আল্লু অর্জুন জানান, এমন দক্ষ ও দূরদর্শী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর মতে, এই স্বীকৃতি সিনেমার সীমানাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
অন্যদিকে অ্যাটলি এই স্বীকৃতিকে নিজের ও পুরো দলের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ছোটবেলা থেকে গিনেস বিশ্বরেকর্ডের কথা শুনে এলেও একদিন নিজের কাজের মাধ্যমে সেখানে জায়গা করে নেওয়া তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।

এর আগে আল্লু অর্জুনের ৪৪তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হয়েছিল ‘রাকা’র প্রথম ঝলক। সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবতারে দেখা যায় অভিনেতাকে। টাক মাথা, রুক্ষ চেহারা এবং মুখের একাংশে নেকড়ের থাবার মতো নকশা মিলিয়ে তাঁর লুকে ছিল আদিম ও যোদ্ধাসুলভ আবহ।
সিনেমাটির ঘোষণার পর থেকেই এর প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ‘রাকা’র ভিএফএক্স ও মশন ক্যাপচারের কাজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একাধিক প্রযুক্তিবিদও এই প্রকল্পের সঙ্গে কাজ করছেন।
আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির প্রথম যৌথ সিনেমা ‘রাকা’। মুক্তির আগেই বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি পাওয়ায় সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এমএম/